রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অভিনন্দন : আপনার এলাকার উন্নয়ন অনিয়ম, অপরাধ, শিক্ষা শিল্প- সংস্কৃতি , ইতিহাস- ঐহিত্য , অবহেলা-অবিচারসহ প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য টিত্র পাঠান। আমরা যাচাই-বাছাই করে তাহা গুরুত্বসহকারে প্রচার করব।  
/ কৃষি খবর
পাবনার চাটমোহরে শুরু হয়েছে মিষ্টি মরিচ খ্যাত সবজি ক্যাপসিকাম চাষ। উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তরুণ উদ্যোক্তা রাশেদুল ইসলাম বকুল তার এলাকায় ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেছেন। অনুকূল আবহাওয়া, উপযুক্ত মাটি ...বিস্তারিত
জ্ঞান, মেধা ও শ্রম দিয়ে রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে অবদান রাখতে কৃষিবিদদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।রবিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ‘কৃষিবিদ দিবস-২০২২’ উপলক্ষ্যে দেয়া এক
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় ঐতিহ্যবাহী দই মেলা শুরু হচ্ছে আজ শনিবার। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সরস্বতী পূজা উপলক্ষে দিনব্যাপী দইয়ের মেলা ঘিরে উপজেলাজুড়ে সাজ সাজ রব পড়ে গেছে। শনিবার সকালে শুরু হওয়া দিনব্যাপী
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি।। সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ফসলি জমিতে পুকুর খনন উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। এতে একদিকে কমছে ফসলি জমি, অন্যদিকে অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননে ফসলের মাঠে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা।জানা গেছে, অপরিকল্পিত পুকুর খননে গত
খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারে কৃষিভিত্তিক শিল্পখাতে আন্তর্জাতিক সংস্থা-ইফাদের কাছে ঋণ সহায়তা চাওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল ইফাদের অর্থায়নে বাংলাদেশের ৩৪টি প্রকল্প চলমান রয়েছে। এসব প্রকল্পের বেশিরভাগই কৃষি উন্নয়ন ও খাদ্য
শীতের জরাজীর্ণতা কাটিয়ে বসন্তের সজীবতায় আবারও যুক্ত হয়েছে দেলোয়ারের বাগানের নজর কাড়া টিউলিপ। শীতপ্রধান দেশে হরহামেশাই দেখা এ টিউলিপ গ্রীষ্মমন্ডলীয় দেশে চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার কেওয়া পূর্বখন্ড গ্রামের দেলোয়ার। আবহাওয়ার প্রতিকূলে চাষের প্রায় অসম্ভব’কেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন এ উদ্যোক্তা।সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বাগানজুড়ে এবারও ফুটেছে রাজসিক সৌন্দর্যের ফুল টিউলিপ। দেলোয়ারের বাগানে দাঁড়ালে মনে হবে যে এটা শীতের দেশ-সুইজারল্যান্ড কিংবা নেদারল্যান্ডে। কিন্তু বাস্তবে শ্রীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক থেকে ১ কি.মি দূরে কেওয়া গ্রামের মৌমিতা ফ্লাওয়ার্স’ নামক ফুলের বাগান এটি। বেগুনি, হলুদ ও লালসহ ৮ রঙের ফুল ফুটে একাকার। বাগানের ফুলগুলো বিশেষ পলিথিনে মোড়ানো একটি শেডের নিচে চাষ হচ্ছে। যার চারপাশ ঢাকা ছোট ছিদ্রযুক্ত নেট দেওয়া পুরো শেডটিতে বিশেষ পদ্ধতিতে তাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নিয়ন্ত্রণ করা হয় সূর্যের আলোও। জানা যায়, ২০২০ সালে দেশে টিউলিপের চাষ শুরু করেন দেলোয়ার হোসেন নামে এই উদ্যোক্তা। সে বছর দেশের মাটিতে প্রথম টিউলিপ ফুল ফুটিয়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিলেন। পর্যায়ক্রমে ২০২২ সালের জানুয়ারির শেষের দিকে তার বাগানে তৃতীয়বারের মতো টিউলিপ ফুল ফোটে। তার টিউলিপ নজর কেড়েছিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও। সেসময় তার বাগান পরিদর্শন করেছিলেন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ কৃষি দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বাগানে দাঁড়িয়েই টিউলিপ চাষে সফলতার গল্প শোনালেন দেলোয়ার হোসেন। তিনি জানান, প্রায় এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ফুল চাষের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন তিনি। সফল ফুলচাষি হিসেবে ২০১৭ সালে পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু কৃষি পদকও। ৩ বছর আগে ডাচ নামক একটি সংস্থা থেকে ফুল চাষের ওপর প্রশিক্ষণ নেন দেলোয়ার। দেলোয়ার আরও বলেন, এ প্রশিক্ষণ শেষে নেদারল্যান্ডস থেকে প্রথমে ১ হাজার ১০০টি টিউলিপ গাছের বাল্ব (বীজ হিসেবে ব্যবহৃত রূপান্তরিত কান্ড) নিয়ে আসি। সেগুলোকে রোপণ করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখি। প্রথম বার কঠোর পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় হয়েছিল। দ্বিতীয় বছরে সেটা কাটিয়ে উঠার পর এখন আমার বাগানে লাখো ফুলের সমাহার । টিউলিপ বাগান দেখতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ফুলপ্রেমী মানুষরা তার বাড়িতে ভিড় জমান। এমন একজন শামীমা আক্তারের বাড়ি ময়মনসিংহ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মাটিতে টিউলিপ ফুল হচ্ছে এমন খবরে বাগান দেখতে এতো দূর থেকে আসছি। জীবনের প্রথম এ ফুল দেখে আনন্দিত। ফুল দেখতে এসে মুগ্ধ ৮ বছরের তামিমের মতো অন্য শিশুরাও। তারা বলছে, বই পুস্তকে টিউলিপ ফুলের নাম শুনেছিলাম। আজ বাস্তবে দেখতে এসেছি।
আবারো বাড়ানো হলো এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম। ১২ কেজির প্রতিটি সিলিন্ডারের দাম ৬২ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এতে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দাঁড়ালো এক
করোনার ধাক্কা সামলে তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। নতুন করে রপ্তানি আয়ে আশা জাগিয়েছে। ফলে নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। এর আগের বছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩৪৩ কোটি ৬৭ লাখ ৯ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪১ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার রপ্তানি বেড়েছে। যা শতাংশের হিসেবে বেড়েছে ৪১ দশমিক ১৩ শতাংশ। বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেখানে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ৮০ কোটি ডলার বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে ওমিক্রনের মাসে। যা শতাংশের হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ শতাংশের বেশি। ইপিবির পরিসংখ্যান আরও বলছে, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত বিশেষত পোশাক, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি বেড়েছে। এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি, প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফেরার কারণে সার্বিকভাবে পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পণ্যের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, জানুয়ারিতে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে ৩২ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। অন্যদিকে ওভেন পোশাকের রপ্তানি ২৭ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়েছে। ফলে সব পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রপ্তানি উপাত্ত অনুযায়ী, পোশাক খাতের রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ানোর ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবে সামনে এই ধারা অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল। তিনি বলেন, ২০২০-২১ সালের জুলাই-জানুয়ারি মাসের রপ্তানির তুলনায় ২০২১-২২ সালের একই মাসে রপ্তানি ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। আর জানুয়ারিতে তা কিছুটা বেড়ে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পণ্যের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, জুলাই-জানুয়ারি সময়ে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে ৩২ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। অন্যদিকে ওভেন পোশাকের রপ্তানি ২৭ দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সকল পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। তবে রপ্তানির এই উল্লম্ফন করোনা পরবর্তী বাজারের পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট। পোশাক খাতের রপ্তানির ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেলেও কিন্তু অনেক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিভিন্ন কাঁচামাল যেমন টেক্সটাইল, পণ্য জাহাজীকরণ খরচ, রং ও রাসায়নিক দ্রব্যের বাজার অনেক চড়া। কিন্তু পণ্য উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির অনুপাতে পোশাকের দাম সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাড়ছে না। এছাড়াও, পোশাক রপ্তানির প্রধান বাজারগুলোতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ভবিষ্যতের বাজারের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। আগামীতে সংক্রমণের গতি প্রকৃতির ওপর নির্ভর করবে এই ধারা কতটা অব্যাহত থাকে। তবে সুযোগ আরও বেশি কাজে লাগাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এখন সাপ্লাই চেইন ঠিক রেখে সক্ষমতা বাড়ানো। ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৪ কোটি ৪৯ লাখ ৯ হাজার ডলার। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সাত মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। আলোচিত সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়েও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় চামড়া খাত থেকে এসেছে ৬৮ কোটি ২৭ লাখ ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। তবে আলোচিত সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি কমেছে। ডিসেম্বরের শেষে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৬৯ কো‌টি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ কম।