ভারতরত্ন সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর ৯২ বছর বয়সে মারা গেলেন। টানা প্রায় চার সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার সকালে মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। ...বিস্তারিত
রাজধানীর ধানমন্ডিতে আবু মহসিন নামের এক ব্যবসায়ী নিজের মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেছেন। আত্মহত্যা করা মহসিন চিত্রনায়ক রিয়াজের শ্বশুর। বুধবার রাত সোয়া নয়টার দিকে মহসিন আত্মহত্যা করেন। রাজধানীর ধানমন্ডি থানা
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনকে বাদ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করার কারণে ক্ষমা চেয়েছেন সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান। এবারের নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন
করোনার বিধিনিষেধ কঠোরভাবে মানছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। গত মঙ্গলবার রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’য় আসেন তিনি। এরপর গত ২৪ ঘণ্টায় ওই বাসায় বাইরের কেউ প্রবেশ করেননি। এমনকি তার আত্মীয়স্বজনদের কাউকেও এদিন দেখা যায়নি। শুধুমাত্র বিকেলে তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মামুন শারীরিক খোঁজ নিতে ‘ফিরোজা’য় যান। খালেদা জিয়ার বাসভবন সূত্র জানায়, অসুস্থ খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বাসাতেই করা হচ্ছে। তার পরিচর্যার জন্য গৃহকর্মী ফাতেমা রয়েছেন। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় আনা হয়েছে। এমন অবস্থায় ফের করোনায় আক্রান্ত হলে তার জীবন সঙ্কট হতে পারে বলে মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকরা আগেই সতর্ক করেছেন। তাই চিকিৎসকদের পরামর্শে বাসায় আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এর আগে দুইবার করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সুত্র জানায়, খালেদা জিয়া হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরায় বুধবার বিকেলে অস্ট্রেলিয়া হাইকমিশন থেকে উপহারের বাক্স পাঠানো হয়। বিএনপির নেতাকর্মীসহ আরো অনেকে ব্যক্তি পর্যায়ে ফুল দিয়ে যাচ্ছেন বাসার মূল ফটকে। কিন্তু কাউকে বাসার ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। ৭৭ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী অনেক বছর ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখ ও হাটুর সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত খালেদা জিয়াকে গত ১৩ নভেম্বর তার বাসভবন ফিরোজায় রক্তবমির পরপরই এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চলতি বছর (২০২২) একুশে পদক পাচ্ছেন ২৪ জন বিশিষ্ট নাগরিক। বৃহস্পতিবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে। এ বছর ভাষা আন্দোলনে দুজন, মুক্তিযুদ্ধ
করোনার ধাক্কা সামলে তৈরি পোশাক খাত ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। নতুন করে রপ্তানি আয়ে আশা জাগিয়েছে। ফলে নতুন বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার আয় করেছে বাংলাদেশ। এর আগের বছরের একই সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছিল ৩৪৩ কোটি ৬৭ লাখ ৯ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪১ কোটি ৩৫ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার রপ্তানি বেড়েছে। যা শতাংশের হিসেবে বেড়েছে ৪১ দশমিক ১৩ শতাংশ। বুধবার (২ ফেব্রুয়ারি) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪০৫ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। সেখানে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৮৫ কোটি ৩ লাখ ৭ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ৮০ কোটি ডলার বেশি রপ্তানি আয় হয়েছে ওমিক্রনের মাসে। যা শতাংশের হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১৯ শতাংশের বেশি। ইপিবির পরিসংখ্যান আরও বলছে, দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত বিশেষত পোশাক, তৈরি পোশাক, নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানি বেড়েছে। এছাড়া চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষি, প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় ফেরার কারণে সার্বিকভাবে পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি হয়েছে। পণ্যের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, জানুয়ারিতে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে ৩২ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। অন্যদিকে ওভেন পোশাকের রপ্তানি ২৭ দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়েছে। ফলে সব পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রপ্তানি উপাত্ত অনুযায়ী, পোশাক খাতের রপ্তানির প্রবৃদ্ধি ঘুরে দাঁড়ানোর ধারা অব্যাহত রয়েছে। তবে সামনে এই ধারা অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করেন তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল। তিনি বলেন, ২০২০-২১ সালের জুলাই-জানুয়ারি মাসের রপ্তানির তুলনায় ২০২১-২২ সালের একই মাসে রপ্তানি ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ৪ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার সমমূল্যের পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। আর জানুয়ারিতে তা কিছুটা বেড়ে ৪ দশমিক ০৮ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। পণ্যের ক্যাটাগরি অনুযায়ী, জুলাই-জানুয়ারি সময়ে নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানিতে ৩২ দশমিক ৮৯ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। অন্যদিকে ওভেন পোশাকের রপ্তানি ২৭ দশমিক ২৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে সকল পণ্যের রপ্তানিতে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে। তবে রপ্তানির এই উল্লম্ফন করোনা পরবর্তী বাজারের পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট। পোশাক খাতের রপ্তানির ইতিবাচক ধারা লক্ষ্য করা গেলেও কিন্তু অনেক চ্যালেঞ্জও রয়েছে। বিভিন্ন কাঁচামাল যেমন টেক্সটাইল, পণ্য জাহাজীকরণ খরচ, রং ও রাসায়নিক দ্রব্যের বাজার অনেক চড়া। কিন্তু পণ্য উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির অনুপাতে পোশাকের দাম সামঞ্জস্যপূর্ণভাবে বাড়ছে না। এছাড়াও, পোশাক রপ্তানির প্রধান বাজারগুলোতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ সুনামির মতো ছড়িয়ে পড়ছে। তাই ভবিষ্যতের বাজারের পূর্বাভাস দেওয়া কঠিন। আগামীতে সংক্রমণের গতি প্রকৃতির ওপর নির্ভর করবে এই ধারা কতটা অব্যাহত থাকে। তবে সুযোগ আরও বেশি কাজে লাগাতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এখন সাপ্লাই চেইন ঠিক রেখে সক্ষমতা বাড়ানো। ইপিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে কৃষিপণ্য রপ্তানিতে আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৪ কোটি ৪৯ লাখ ৯ হাজার ডলার। প্লাস্টিক পণ্য রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩৮ দশমিক ৭ শতাংশ। সাত মাসে এ খাতে আয় হয়েছে ৮ কোটি ৭৩ লাখ ডলার। আলোচিত সময়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়েও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময় চামড়া খাত থেকে এসেছে ৬৮ কোটি ২৭ লাখ ডলার। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। তবে আলোচিত সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি কমেছে। ডিসেম্বরের শেষে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি করে বাংলাদেশ আয় করেছে ৬৯ কোটি ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ কম।
চালের চাহিদার অনুপাতে দ্রুত উৎপাদন বাড়াতে রোডম্যাপ প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, দেশে এই আমনের মৌসুমে নবান্নের সময়ও চালের