শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অভিনন্দন : আপনার এলাকার উন্নয়ন অনিয়ম, অপরাধ, শিক্ষা শিল্প- সংস্কৃতি , ইতিহাস- ঐহিত্য , অবহেলা-অবিচারসহ প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য টিত্র পাঠান। আমরা যাচাই-বাছাই করে তাহা গুরুত্বসহকারে প্রচার করব।  

প্রধানমন্ত্রীর আলোকচিত্রী হলেন পাবনার কৃতি সন্তান খালেদ হোসেন পরাগ

জাকির সেলিম : / ১৬ ১৩৫ বার পড়া হয়েছে :
প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

তারেক রহমান–এর ব্যক্তিগত ফটোগ্রাফার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফটোসাংবাদিক খালেদ হোসেন পরাগ। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়–এর চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, খালেদ হোসেন পরাগকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা বা সরকারি, আধা-সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিদ্যমান কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ফটোগ্রাফার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। তিনি জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড-৯ এর সর্বশেষ ধাপে বেতন ও অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা পাবেন। তার যোগদানের তারিখ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল অথবা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটে) এ নিয়োগ কার্যকর থাকবে।

প্রায় তিন দশক ধরে ফটোসাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক-রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় খালেদ হোসেন পরাগ তার পেশাগত জীবন শুরু করেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকায় ফটোসাংবাদিক হিসেবে। তিনি বিএনপির অঙ্গসংগঠন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা – জাসাস এর পাবনা জেলা শাখার আহ্বায়ক এর দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে সক্রিয়ভাবে সংগঠন গঠন, নেতৃত্ব ও কার্যক্রম পরিচালনায় ভূমিকা রাখছেন তিনি।

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন গঠনের ক্ষেত্রেও রয়েছে তার উদ্যোগী ভূমিকা। তার হাত ধরেই পাবনায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে আজকের প্রজন্ম ফোরাম, হেডে ক্রিয়েটিভ গ্রুপ, পাবনা ফটোগ্রাফারস ফোরাম, পাবনা সাইক্লিস্ট ফোরাম, মাইপাবনা ডট কম, পাবনা ফিল্ম সোসাইটি এবং পাবনা ইয়াং জার্নালিস্ট ফোরাম। এসব সংগঠনের মাধ্যমে তরুণদের সাংস্কৃতিক চর্চা, সৃজনশীলতা ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করে আসছেন বহুদিন ধরে।

খালেদ হোসেন পরাগের ব্যক্তিগত উদ্যোগে গড়ে তোলা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম ‘ছবির গল্প বাংলাদেশ’। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে তিনি সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাসেবাভিত্তিতে দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও দুর্লভ মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি ও সংরক্ষণ করে আসছেন।

তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ ২০০৬ সালে প্রকাশিত তরুণ তারেক রহমানের আলোচিত ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভার বিস্তৃত ফটোডকুমেন্টেশনের বই “ছবির গল্প”। তারেক রহমানকে ঘিরে প্রচারিত মিথ্যার বিপরীতে সত্য তুলে ধরতে এই প্রকাশনাটি অত্যন্ত প্রশংসিত হয়েছে। আওয়ামী লীগের ফ্যাসীবাদের বিরুদ্ধে মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সংগ্রামের গল্প তুলে ধরে তার আরেকটি ফটোডকুমেন্টেশন “দেশনেত্রী” প্রকাশনাটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর বাইরেও ছবি ও তথ্যনির্ভর একাধিক প্রকাশনা তার রয়েছে।

সাবেক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জীবন-দর্শন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে গত দুই দশক ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য আলোকচিত্র প্রদর্শনী, সেমিনার ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রীর দাপ্তরিক কার্যক্রম, রাজনৈতিক কর্মসূচি, রাষ্ট্রীয় সফর, সভা-সমাবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আলোকচিত্র ধারণ, সংরক্ষণ ও নথিবদ্ধ করার দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন কর্মসূচির ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টেশন ও আর্কাইভ সংরক্ষণেও তার ভূমিকা থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ