শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশ :
আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে অভিনন্দন : আপনার এলাকার উন্নয়ন অনিয়ম, অপরাধ, শিক্ষা শিল্প- সংস্কৃতি , ইতিহাস- ঐহিত্য , অবহেলা-অবিচারসহ প্রয়োজনীয় সঠিক তথ্য টিত্র পাঠান। আমরা যাচাই-বাছাই করে তাহা গুরুত্বসহকারে প্রচার করব।  

রাহুল গান্ধীর দুই বছরের কারাদণ্ড

টিএনবি অনলাইন ডেস্ক / ৩৩০ ২৩৫ বার পড়া হয়েছে :
প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদবি নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের দায়ে দেশটির  কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে দুই বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সুরাটের দায়রা আদালত ২০১৯ সালের করা মানহানি মামলায় রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করেছে । দুই বছরের জেলের সাজা হলেও আদালত তার জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছে।

তার বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়। যদিও পরক্ষণেই জামিনও পেয়ে যান তিনি। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে রাফাল যুদ্ধবিমান ক্রয়ে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন রাহুল গান্ধী। এরপর কর্নাটকের কোলারে নামক জায়গায় এক দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে এক নির্বাচনী প্রচারণায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে গোটা ‘মোদি’ সম্প্রদায়কে অবমাননা করার অভিযোগ উঠে রাহুলের বিরুদ্ধে। প্রধানমন্ত্রীকে নিশানা করেই সে সময় রাহুল আওয়াজ তুলেছিলেন ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’।

তখনই কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেছিলেন ‘নিরব মোদি, ললিত মোদি কিংবা নরেন্দ্র মোদি- যেই হোক না কেন, সব চোরদেরই পদবী মোদি হয় কি করে?’ মূলত কয়েক হাজার কোটি রুপি আত্মসাৎ করে ভারত থেকে বিদেশে পলাতক  নিরব মোদি বা সাবেক আইপিএল চেয়ারম্যান ললিত মোদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তুলনা করে এই মন্তব্য করেছিলেন রাহুল। এরপরই ২০১৯ সালের ১৩ এপ্রিল সুরাতের জেলা দায়রা আদালতে রাহুলের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক মানহানির মামলা দায়ের করে বিজেপি বিধায়ক পূর্ণেষ মোদি। 

মামলাকারীর অভিযোগ ছিল, রাহুলের এই মন্তব্যের ফলে গোটা ‘মোদি’ পদবীভুক্ত মানুষকে অপমান করা হয়েছে। সেই মামলারই রায় ছিল বৃহস্পতিবার। এ দিন আদালত এই মামলায় প্রথমে রাহুলকে দোষী সাব্যস্ত করে। এরপরই দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়। আদালত এ দিন জানায় রাহুলের বিরুদ্ধে সব ওঠা সব অভিযোগই প্রমাণিত হয়েছে। এ দিন রায় দানের সময় আদালতেই উপস্থিত ছিলেন রাহুল গান্ধী, তার সাথে ছিলেন কেন্দ্রীয় এবং রাজ্যস্তরের অনেক কংগ্রেস নেতাও। অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে সুরাত আদালতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আঁটোসাঁটো করা হয়েছিল। তবে কারাদণ্ডের সাজার পরেই ১৫ হাজার রুপির ব্যাক্তিগত বন্ডে রাহুল জামিনও পেয়ে যান। সেক্ষেত্রে আগামী ৩০ দিন সাজা কার্যকর করা স্থগিত রাখার কথা ঘোষণা করেছেন বিচারক এইচ. এইচ. বর্মা। ফলে এই সময়সীমার মধ্যে তিনি নিম্ন আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চতর আদালতে যেতে পারবেন রাহুল গান্ধী। 

এ দিকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেই টুইট করে লেখেন, ‘সত্য এবং অহিংসাই আমার পরম ধর্ম। সত্য আমার ঈশ্বর। অহিংসার মাধ্যমেই সত্য উপলব্ধি সম্ভব- মহাত্মা গান্ধী’। 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ