ইসলামের বিধানাবলি পালনে চাঁদের হিসাব গুরুত্বপূর্ণ। সূর্য ডুবে চাঁদ উদিত হলে ইফতারের সময় হয়, চাঁদ অস্ত গেলে সেহরির সময় শেষ হয়। চাঁদের সঙ্গে অনেক ইবাদত জড়িত। রোজা, ঈদ, হজ, কুরবানি, জাকাত ইত্যাদি আমল আরবি মাস হিসেবে করতে হয়। আর এসব আমলের জন্য চাঁদের হিসাব রাখা জরুরি। চান্দ্র বছর অনুযায়ী জাকাত ফরজ হয়, হজের মাসের সময় শুরু ও শেষ হয়। তাই ইসলামে চাঁদ দেখা একটি স্বতন্ত্র আমল। চাঁদ দেখা ফরজে কেফায়া। অর্থাৎ মুসলিম সমাজের কিছু মানুষ চাঁদ দেখলেই সবার পক্ষ থেকে দেখা হয়ে যাবে। আর কেউ না দেখলে সবাই গুনাহগার হবে। সব মুসলমান চাঁদ দেখা মুস্তাহাব। চাঁদ দেখার দোয়া শিখিয়েছেন নবীজি (সা.)। রমজানে ও ঈদে চাঁদ দেখার রেওয়াজ বেশি থাকলেও সারা বছর যখনই চাঁদ উদিত হয় তখন দোয়া পড়া। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) মাসের নতুন চাঁদ দেখে এই দোয়া পড়তেন-‘আল্লাহুম্মা আহলিলহু আলাইনা বিল ইয়ুমনি ওয়াল ঈমান ওয়াস সালামাতি ওয়াল ইসলাম; রব্বি ওয়া রব্বুকাল্লাহ’, অর্থাৎ ‘হে আল্লাহ! আমাদের জন্য চাঁদটিকে বরকতময় (নিরাপদ), ঈমান, নিরাপত্তা ও শান্তির বাহন করে উদিত করুন। (হে নতুন চাঁদ) আল্লাহ আমার ও তোমার প্রভু।’ (তিরমিজি : ৩৪৫১)